দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হয়েছে। বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে তার কলকাতার বাসভবনে তল্লাশি চালাতে পৌঁছেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরের দিকে রাজ্য তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা কালিঘাট থানার পুলিশ এবং বিপুল সংখ্যক নারী পুলিশ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে অবস্থিত দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছান।
বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতার স্বীকৃতির জন্য স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া প্রস্তাবে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদের স্বাক্ষর জাল করার অভিযোগে তদন্ত চলছে। এরই মধ্যে এ বিষয়ে তথ্য চেয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে নোটিশ পাঠিয়েছে সিআইডি।
গত ২৭ মে তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বোসকে জানান, ৬ মে অনুষ্ঠিত দলের বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচনের বিষয়ে কোনো প্রস্তাব গৃহীত হয়নি। অথচ দলের পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে পাঠানো আনুষ্ঠানিক চিঠিতে এমন দাবি করা হয়েছিল।
তারা আরও জানান, বৈঠকের সিদ্ধান্তসংবলিত খাতায় তারা ১৯ মে স্বাক্ষর করেছিলেন।
দুই বিধায়কের অভিযোগ, ৬ মের কথিত প্রস্তাবটি ‘তৈরি ও জাল’ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৭০টি স্বাক্ষরের মধ্যে ১৪টি বড় হাতের অক্ষরে লেখা ছিল বলেও দাবি করেন তারা।
এ ঘটনার পর দলবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দুই বিধায়ককে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রকাশ্যে তাদের নাম উল্লেখ করার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয় বলে জানা গেছে।
বর্তমানে সিআইডির তিনটি পৃথক দল তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করছে। একটি দল দিল্লিতে অবস্থানরত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে, আরেকটি দল তার ভাতিজা ও সংসদ সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে এবং তৃতীয় দল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে তল্লাশি চালাচ্ছে।
/অ